কুরআনের আয়াতগুলো কেন, কখন এবং কোন প্রেক্ষাপটে নাজিল হয়েছিল তা জানা, যা আয়াতের সঠিক অর্থ, মর্মোদ্ধার, বিধানের প্রেক্ষাপট বুঝতে এবং কুরআনের গভীর জ্ঞান অর্জনে সাহায্য করে, যাতে ভুল ব্যাখ্যা এড়ানো যায় এবং রাসূল (সা.)-এর জীবনের ঘটনা ও শরীয়তের বিধানের প্রাসঙ্গিকতা বোঝা যায়।
শানে নুযূল কেন গুরুত্বপূর্ণ:
আয়াতের সঠিক অর্থ বোঝা : প্রতিটি আয়াত নির্দিষ্ট ঘটনা বা প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে নাযিল হয়েছে, শানে নুযুল জানলে সেই প্রেক্ষাপট বুঝে আয়াতের আসল মর্মার্থ উপলব্ধি করা যায়।।
সঠিক অর্থ ও মর্মোদ্ধার: অনেক আয়াত নির্দিষ্ট ঘটনা বা প্রশ্নের উত্তর হিসেবে নাজিল হয়েছে; শানে নুযূল জানলে আয়াতের প্রকৃত উদ্দেশ্য ও তাৎপর্য বোঝা যায়।
বিধানের প্রেক্ষাপট জানা: শরীয়তের বিধি-বিধান কখন ও কেন আরোপিত হয়েছিল, তা না জানলে এর সঠিক প্রয়োগ ও উদ্দেশ্য বোঝা কঠিন হতে পারে। আয়াতের সাধারণীকরণ যদিও আয়াতগুলো নির্দিষ্ট ঘটনায় নাজিল হয়েছে, শানে নুযূল জানার মাধ্যমে বোঝা যায় যে এর শিক্ষা ও প্রয়োগ কেবল সেই ঘটনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা সাধারণ
ভুল ব্যাখ্যা এড়ানো: প্রেক্ষাপট না জেনে আয়াত পড়লে ভুল ব্যাখ্যার সুযোগ থাকে, যা শানে নুযূল পাঠের মাধ্যমে এড়ানো যায়।
কুরআন ও সিরাতের সংযোগ: শানে নুযূল মূলত কুরআনের আয়াত নাজিলের পেছনের ইতিহাস ও ঘটনা (আসবাবুন নুযূল) নিয়ে আলোচনা করে, যা সিরাত (নবীর জীবনী) ও কুরআনের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে।
জ্ঞানার্জন ও আমল: এটি কুরআনের গভীরতা উপলব্ধি করতে এবং সে অনুযায়ী জীবনে আমল করতে সাহায্য করে, যা একজন মুমিনের জন্য অপরিহার্য।